আমরা যখন আমাদের শত্রুদের ঘৃণা করি তখন তারা মানসিক দিক দিয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী হয়ে ওঠে।আমাদের ঘুম,হজমশক্তি, ব্লাড প্রেশার,স্বাস্থ্য আর আমাদের সুখের উপর প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের শত্রুরা যদি জানতে পারত তারা কিভাবে আমাদের দুশ্চিন্তায় ফেলে ক্ষতি করে চলেছে তাহলে তারা আনন্দে নাচতে থাকতো। আমাদের ঘৃণা তাদের কোনো ক্ষতিই করেনা বরং সে ঘৃণা আমাদের দিনরাতকে নরক করে তোলে। স্বার্থপরেরা যদি আপনাদের উপর টেক্কা দিতে চায় তাহলে তাদের তুচ্ছ জ্ঞান করে বাতিল করা উচিত, শোধ নেবার দরকার নেই। যখন শোধ নেবার চেষ্টা করবেন, জানবেন তার ক্ষতি করার চেয়ে নিজেরই বেশি ক্ষতি করবেন।
ঘৃণা আমাদের খাদ্যকেও বিস্বাদ করে তোলে। একটা উক্তি পড়েছিলাম, ' ঘৃণার সাথে মোটা ভেড়ার মাংসের চেয়ে প্রেমময় নিরামিষ খাদ্যই শ্রেয়।'
শেক্সপীয়ার যেমন বলেছিলেন, ' শত্রুর জন্য এমন উত্তাপ সৃষ্টি করবেন না যাতে নিজেই দগ্ধ হবেন।'
হযরত ঈসা (আ:) (খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের কাছে যিনি যীশু নামে পরিচিত) বলেছিলেন, ' শত্রুকে ভালোবাসো এবং শতশতবার শত্রুকে ক্ষমা করো!'
আমরা হয়তো আমাদের শত্রুদের ভালোবাসার মতো অতখানি সাধু হতে পারব না, তবে আমাদের স্বাস্থ্য আর সুখের কথা ভেবে শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়ে এসব ভুলে যাওয়া উচিত। কনফুসিয়াস যেমন বলেছিলেন, " অন্যায়, নিগ্রহ, ভোগ বা লুন্ঠিত হওয়া কিছুই নয়; যদি তা মনে না রাখি।


0 Comments